ইতিহাসের ধারণা | মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশান

Content Topic:
বহুবিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) |
অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (VSAQ) |
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) |

Madhyamik History Suggestion : Itihaser Dharona ( First Chapter)


বহুবিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) :
1. ‘বন্দেমাতরম’ সংগীতটি প্রথম প্রকাশিত হয় –
(ক) হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকায়,
(খ) সোমপ্রকাশ পত্রিকায়,
(গ) বঙ্গদর্শন পত্রিকায়,
(ঘ) দিগ্‌দর্শন পত্রিকায়।
উত্তর:- (গ) বঙ্গদর্শন পত্রিকায় |

2. কলকাতা বিজ্ঞান কলেজের ইতিহাস অন্তর্গত হবে –
(ক) ফোটোগ্রাফির ইতিহাসের,
(খ) খেলাধুলার ইতিহাসের,
(গ) বিজ্ঞান প্রযুক্তির ইতিহাসের,
(ঘ)পরিবেশের ইতিহাসের সঙ্গে।
উত্তর:- (গ) বিজ্ঞান প্রযুক্তির ইতিহাসের |

3. মোহনবাগান ক্লাব আই এফ এ শিল্ড জয় করেছিল।
(ক) ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে,
(গ) ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে,
(খ) ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে,
(ঘ) ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর:- (গ) ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে |
4. সরকারি মহাফেজখানায় পাওয়া যাবে-
(ক) সরকারি আধিকারিকদের প্রতিবেদন,
(খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনস্মৃতি,
(গ) সরলাদেবী চৌধুরানির জীবনের ঝরাপাতা,
(ঘ) ইন্দিরাকে লেখা জওহরলাল নেহরুর চিঠির সংকলন।
উত্তর:- (ক) সরকারি আধিকারিকদের প্রতিবেদন |

5. রাষ্ট্রপতি ভবনের মূল স্থপতি ছিলেন –
(ক) জর্জ বার্নার্ড শ,
(খ) থমাস মেটকাফ,
(গ) এডউইন লুটিয়েন,
(ঘ) ডার্ক কোলফ।
উত্তর:- (গ) এডউইন লুটিয়েন |

6. ‘Ecological Imperialism’ লিখেছেন-
(ক) স্ট্যানলি জ্যাকসন,
(খ) এলিজাবেথ হনিকম্ব,
(গ) রামচন্দ্র গুহ,
(ঘ) আলফ্রেড ক্রসবি।
উত্তর:- (ঘ) আলফ্রেড ক্রসবি |

7. কলহনের রাজতরঙ্গিনীর ইতিহাস অন্তর্গত হবে-
(ক) সামরিক ইতিহাসের,
(খ) খেলাধুলার ইতিহাসের,
(গ) স্থানীয় ইতিহাসের,
(ঘ) পরিবেশের ইতিহাসের সঙ্গে।
উত্তর:- (গ) স্থানীয় ইতিহাসের |

8. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হল –
(ক) দিগ্‌দর্শন,
(খ) সমাচার দর্পণ,
(গ) বেঙ্গল গেজেট,
(ঘ) সংবাদ প্রভাকর।
উত্তর:- (ক) দিগ্‌দর্শন |

9. ‘কথাকলি নৃত্য’ কোন্ অঞ্চলের নৃত্য ?
(ক) কর্ণাটক,
(গ) কেরল,
(খ) মালাবার,
(ঘ) মণিপুর।
উত্তর:- (গ) কেরল |

10. The Story of My Experiment with Truth’ গ্রন্থের লেখক হলেন-
(ক) জওহরলাল নেহরু,
(খ) সুভাষচন্দ্র বসু,
(গ) মহাত্মা গান্ধি,
(ঘ) ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
উত্তর: (গ) মহাত্মা গান্ধি |

11. ‘ক্যালকাটা ক্রিকেট ক্লাব’ প্রতিষ্ঠিত হয় –
(ক) ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দে,
(খ) ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে,
(গ) ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে,
(ঘ) ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর:- (ক) ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দে |

12. ‘সোমপ্রকাশ’ পত্রিকাটির প্রকাশক হলেন –
(ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,
(খ) দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ,
(গ) দীনবন্ধু মিত্র,
(ঘ) সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।
উত্তর:- (খ) দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ |

13. ভারতে ফুটবল খেলা প্রবর্তন করেন –
(ক) ইংরেজরা,
(খ) ওলন্দাজরা,
(গ) ফরাসিরা,
(ঘ) পোর্তুগিজরা।
উত্তর:- (ক) ইংরেজরা |

14. ‘ইতিহাস হল অতীত ও বর্তমানের অন্তহীন কথোপকথন’ উক্তিটি করেছেন –
(ক) ই এইচ কার,
(খ) এডমন্ড বার্ক,
(গ) অমলেশ ত্রিপাঠী।
(ঘ) লর্ড অ্যাকটন,
উত্তর:- (ক) ই এইচ কার |

15. ‘মেয়েকে লেখা পিতার পত্রটির লেখক –
(ক) ইন্দিরা গান্ধি,
(খ) জওহরলাল নেহরু,
(ঘ) রাহুল গান্ধি।
(গ) রাজীব গান্ধি,
উত্তর: (খ) জওহরলাল নেহরু |

16.ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক বলা হয় –
(ক) সত্যজিৎ রায়কে,
(গ) হীরালাল সরখেলকে,
(খ) হীরালাল সেনকে,
(ঘ) দাদাসাহেব ফালকেকে।
উত্তর: (ঘ) দাদাসাহেব ফালকেকে |17. প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র হল –
(ক) জামাইষষ্ঠী,
(খ) রাজা হরিশচন্দ্র,
(ঘ) দেনাপাওনা।
(গ) চণ্ডীদাস,
উত্তর: (খ) রাজা হরিশচন্দ্র |
18. কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত ‘গথিক স্থাপত্য’র প্রথম নিদর্শনটি হল –
(ক) এশিয়াটিক সোসাইটি,
(খ) হেস্টিংস হাউস,
(গ) হাইকোর্ট,
(ঘ) মনুমেন্ট।
উত্তর:- (গ) হাইকোর্ট |

17. প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র হল –
(ক) জামাইষষ্ঠী,
(খ) রাজা হরিশচন্দ্র,
(ঘ) দেনাপাওনা।
(গ) চণ্ডীদাস,
উত্তর: (খ) রাজা হরিশচন্দ্র |
18. কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত ‘গথিক স্থাপত্য’র প্রথম নিদর্শনটি হল –
(ক) এশিয়াটিক সোসাইটি,
(খ) হেস্টিংস হাউস,
(গ) হাইকোর্ট,
(ঘ) মনুমেন্ট।
উত্তর:- (গ) হাইকোর্ট |

19. ভারতে নিম্নবর্গের ইতিহাসচর্চার জনক/প্রবক্তা হলেন –
(ক) রণজিৎ গুহ,
(খ) অমলেশ ত্রিপাঠী,
(গ) রামচন্দ্র গুহ,
(ঘ) সুমিত সরকার।
উত্তর:- (ক) রণজিৎ গুহ |

20. ‘সোমপ্রকাশ’ ছিল একটি –
(ক) দৈনিক পত্রিকা,
(খ) সাপ্তাহিক পত্রিকা,
(গ) পাক্ষিক পত্রিকা,
(ঘ) মাসিক পত্রিকা।
উত্তর:- (খ) সাপ্তাহিক পত্রিকা |

21. ইন্দিরা গান্ধিকে লেখা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির হিন্দি অনুবাদ করেছেন –
(ক) মুনসি প্রেমচাঁদ,
(গ) খুশবন্ত সিং,
(খ) কৃষ্ণন চন্দর,
(ঘ) সাদাত হাসান মান্টো।
উত্তর:- (ক) মুনসি প্রেমচাঁদ |

22. ইতিহাস বিদ্যাকে অন্যান্য ‘বিদ্যাচর্চার জননী’ বলে অভিহিত করেছেন-
(ক) জুরগেন কোকা,
(খ) মার্ক ব্লখ,
(গ) জি এম ট্রেভেলিয়ান,
(ঘ) লুসিয়েন ফেভর।
উত্তর:- (গ) জি এম ট্রেভেলিয়ান |

23. ‘বঙ্গদর্শন’ প্রথম প্রকাশিত হয় –
(ক) ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে,
(খ) ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে,
(গ) ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে,
(ঘ) ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর:- (গ) ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে |

24. ‘জীবনের ঝরাপাতা’ গ্রন্থটি হল একটি –
(ক) উপন্যাস,
(খ) কাব্যগ্রন্থ,
(গ) জীবনীগ্রন্থ,
(ঘ) আত্মজীবনী।
উত্তর:- (ঘ) আত্মজীবনী |
25. ভারতের প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হল –
(ক) সমাচার দর্পণ,
(খ) বেঙ্গল গেজেট,
(গ) সোমপ্রকাশ,
(ঘ) সমাচার দর্পণ,
উত্তর:- (খ) বেঙ্গল গেজেট |

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (VSAQ) :
১. ‘দ্য অ্যানালস’ নামক পত্রিকা কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর:- ‘দ্য অ্যানালস’ নামক পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে।
২. দুজন নিম্নবর্গীয় (সাবল্টার্ন) ঐতিহাসিকের নাম লেখো।
উত্তর:- রণজিৎ গুহ, গৌতম ভদ্র দুজন নিম্নবর্গীয় ঐতিহাসিক।
৩. কবে ‘ব্রিটিশ সোসাইটি অব স্পোর্টস হিস্ট্রি’ প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:- ‘ব্রিটিশ সোসাইটি অব স্পোর্টস হিস্ট্রি’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে।
৪. কবে কলকাতায় ক্যালকাটা ক্রিকেট ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:- ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ক্যালকাটা ক্রিকেট ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
৫. পরাধীন ভারতের জাতীয় ফুটবল ক্লাবের নাম কী?
উত্তর:- পরাধীন ভারতের জাতীয় ফুটবল ক্লাবের নাম মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাব।
৬. ‘কথাকলি’ ভারতের কোন্ রাজ্যের নৃত্যশৈলী?
উত্তর:- ‘কথাকলি’ ভারতের কেরল রাজ্যের নৃত্যশৈলী।
৭. কবে, কোন্ বিদেশি নাট্যকার ভারতে নাট্যচর্চা শুরু করেন?
উত্তর:- ১৭৯৫ সালে রুশ নাট্যকার গেরাসিম লেবেডফ ভারতে নাট্যচর্চা শুরু করেন।
৮. কারা প্রথম বায়োস্কোপের বাণিজ্যিক প্রদর্শন করেন?
উত্তর:- প্যারিসের লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় প্রথম বায়োস্কোপের বাণিজ্যিক প্রদর্শন করেন।
৯. ‘আলম আরা’ ছবিটি কবে তৈরি হয়?
উত্তর:- ‘আলম আরা’ ছবিটি তৈরি হয় ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে।
১০. পথের পাঁচালী ছবিটির পরিচালক কে?
উত্তর:- পথের পাঁচালী ছবিটির পরিচালক হলেন সত্যজিৎ রায়।
১১. ‘বাংলা চলচ্চিত্রের জনক’ কাকে বলা হয়?
উত্তর:- ‘বাংলা চলচ্চিত্রের জনক’ বলা হয় হীরালাল সেনকে।
১২. পারসি রীতির অনুসরণে বাংলায় ব্রাহ্মসমাজের নারীরা যে শাড়ি পরত তার নাম কী?
উত্তর:- পারসি রীতির অনুসরণে বাংলায় ব্রাহ্মসমাজের নারীরা যে শাড়ি পরত তার নাম ব্রাহ্মিকা শাড়ি।

১৩. ‘বাঙালির বেশবাস’ গ্রন্থটির লেখক কে?
উত্তর:- ‘বাঙালির বেশবাস’ গ্রন্থটির লেখক হলেন মলয় রায়।
১৪. সুয়েজ খাল কবে খনন করা শুরু হয়?
উত্তর:- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে সুয়েজ খাল খনন করা শুরু হয়।
১৫. ব্রিটিশ মিউজিয়াম কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:- ১৭৫৩ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৬. ভারতীয় জাদুঘর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর:- ১৮১৪ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৭. পশ্চিমবঙ্গ সংস্কৃতি গ্রন্থের লেখক কে?
উত্তর:- বিনয় ঘোষ এই গ্রন্থের লেখক।
১৮. ভারতের প্রথম আঞ্চলিক ইতিহাস কোনটি?
উত্তর:- কলহনের ‘রাজতরঙ্গিণী’ ভারতের প্রথম আঞ্চলিক ইতিহাস।
১৯. ‘মিলিটারি হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া’ গ্রন্থটি কে লিখেছিলেন?
উত্তর:- মিলিটারি হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া’ গ্রন্থটি লিখেছিলেন যদুনাথ সরকার।
২০. মেধা পাটেকর কে ছিলেন?
উত্তর:- নর্মদা বাঁচাও নামক পরিবেশ আন্দোলনের নেত্রী।
২১. ভারতের প্রথম মহিলা চিকিৎসকের নাম কী?
উত্তর:- ভারতের প্রথম মহিলা চিকিৎসকের নাম কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়।
২২. সরকারি নথিপত্র কোথায় সংরক্ষণ করা হয়?
উত্তর:- সরকারি নথিপত্র মহাফেজখানা বা লেখ্যাগারে (আর্কাইভস্) সংরক্ষণ করা হয়।
২৩. ভারতের জাতীয় মহাফেজখানা কোথায় অবস্থিত?
উত্তর:- ভারতের জাতীয় মহাফেজখানা দিল্লিতে অবস্থিত।
২৪. ‘সত্তর বৎসর’ নামে আত্মজীবনীটি কার লেখা?
উত্তর:- ‘সত্তর বৎসর’ নামক আত্মজীবনীটি বিপিনচন্দ্র পালের লেখা।
২৫. ‘জীবনস্মৃতি’ কার আত্মজীবনী?
উত্তর:- ‘জীবনস্মৃতি’ নামক আত্মজীবনী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা।
২৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর:- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের নাম ‘জীবন স্মৃতি’।
২৭. সরলাদেবী চৌধুরানির আত্মজীবনী গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর:- সরলাদেবী চৌধুরানির আত্মজীবনীর নাম ‘জীবনের ঝরাপাতা’।

২৮. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকার নাম কী?
উত্তর:- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকার নাম ‘দিগদর্শন’।
২৯. ‘দিগ্‌দর্শন’-এর সম্পাদক কে ছিলেন?
উত্তর:- ‘দিগ্দর্শন’-এর সম্পাদক ছিলেন জে. মার্শম্যান।
৩০. ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা প্রথম কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর:- ‘বঙ্গদর্শন’ প্রকাশিত হয় ১২ এপ্রিল, ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে।
৩১. ‘বঙ্গদর্শন’ সাময়িকপত্র কে প্রবর্তন করেন ?
উত্তর:- বঙ্কিমচন্দ্র সাময়িকপত্র প্রবর্তন করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ।
৩২. ‘সোমপ্রকাশ’ পত্রিকা কবে প্রকাশিত হয়?
উত্তর:- ‘সোমপ্রকাশ’ প্রকাশিত হয় ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে।
৩৩. ‘সোমপ্রকাশ’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
উত্তর:- ‘সোমপ্রকাশ’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কলেজের অধ্যাপক দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর : দুই বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও |
১. সামাজিক ইতিহাস কী?
উত্তর:- ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে ইউরোপ ও আমেরিকায় ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে প্রচলিত রাজনৈতিক, সামরিক, সাংবিধানিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাসের পরিবর্তে সমাজের অবহেলিত দিকগুলিসহ সমগ্র সমাজের ইতিহাস রচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় যা নতুন সামাজিক ইতিহাস নামে পরিচিত। এই ইতিহাস সংশোধনবাদী ইতিহাস নামেও পরিচিত।

২. খেলার ইতিহাস বলতে কী বোঝায় ?
উত্তর:- আধুনিক সভ্যতায় অবসর বিনোদন ও শারীরিক দক্ষতা প্রদর্শনের একটি বিশেষ মাধ্যম হল খেলা বা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
প্রথমত, বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, টেনিস, গলফ, দাবা, রাগবি প্রভৃতি খেলার উদ্ভব, বিবর্তন, প্রসার ও প্রভাব সম্পর্কে চর্চা শুরু হয় যা খেলার ইতিহাস নামে পরিচিত।
দ্বিতীয়ত, এই ইতিহাসচর্চার সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা হলেন জে. এ. ম্যাসান, রিচার্ড হোল্ট, গ্রান্ট জারভিস, মাইকেল ম্যাক কিনলে, আশিস নন্দী, রামচন্দ্র গুহ, বোরিয়া মজুমদার।

৩. ভারতে কীভাবে হকি খেলার সূচনা হয়?
উত্তর:- ভারতে মূলত ইংরেজ সৈন্যবাহিনীর হাত ধরেই হকি খেলার প্রসার ঘটে এবং কলকাতায় ভারতের প্রথম হকি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় (১৮৮৫-৮৬ খ্রিস্টাব্দ)। বিশ শতকে ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে অলিম্পিক গেমসে ভারত প্রথম অংশগ্রহণ করে এবং শেষ পর্যন্ত ফাইনাল খেলায় হল্যান্ডের কাছে ভারত ৩-০ গোলে পরাজিত হয়। ধ্যানচাঁদ ছিলেন ভারতের একজন বিখ্যাত হকি খেলোয়াড়।

৪. কাকে এবং কেন ভারতীয় ফুটবলের জনক বলা হয় ?
উত্তর:- নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীকে ভারতীয় ফুটবলের জনক বলা হয়, কারণ—
প্রথমত, তিনি কিশোর বয়সেই ফুটবলার রূপে এবং পরবর্তীকালে ‘বয়েজ ক্লাব,“ফ্রেন্ডস ক্লাব’, ‘ওয়েলিংটন ক্লাব’প্রভৃতির সংগঠকরূপে বাংলার ফুটবল খেলার ক্ষেত্রে এক নব- জাগরণ আনেন।
দ্বিতীয়ত, দেশবাসীকে ফুটবল খেলার মাধ্যমে শারীরিকভাবে শক্তপোক্ত করে তুলে জাতীয় – তাবাদের উন্মেষ ঘটাতে চেয়েছিলেন।
তৃতীয়ত, তাঁর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করেই দুখীরাম মজুমদার, মন্মথ গাঙ্গুলি, কালীচরণ মিত্তির ও হরিদাস শীল প্রমুখ ফুটবল খেলাকে জনপ্রিয় চেষ্টা করেন।
৫. চলচ্চিত্রের ইতিহাস বলতে কী বোঝায়?
উত্তর:- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে উন্নত ক্যামেরার মাধ্যমে সচল ছবি তোলার প্রক্রিয়ার উদ্ভাবন ঘটে এবং অগাস্ট ল্যুমিয়ের ও লুই ল্যুমিয়ের নামক দুই ভাইয়ের হাত ধরে প্যারিসে প্রথম চলচ্চিত্রের উদ্ভব ঘটে (১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।

প্রথমত, প্রথমদিকে কোনো ঘটনা বা গল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি এই সচল ছবি ছিল নির্বাক, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশ শতকের গোড়ায় আমেরিকা ও ইংল্যান্ডে সবাক ও সচল ছবি তৈরি হয়, যা চলচ্চিত্র নামে পরিচিত।

দ্বিতীয়ত, চলচ্চিত্রের উদ্ভব ও বিবর্তন সম্পর্কে বিশেষভাবে জড়িত ছিলেন—ফিলিপ বি জারিল্লি, চার্লস রাসেল ডে, সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিককুমার ঘটক, গিরিশ কারনাড, আদুর গোপালকৃষ্ণন প্রমুখ ।
৬. ভারতে রেলপথ ব্যবস্থার প্রবর্তন কীভাবে হয়?
উত্তর:- মূলত অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক ও সামরিক উদ্দেশ্যে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে রেলপথ ব্যবস্থার প্রবর্তন করে (২৬ এপ্রিল, ১৮৫৩ খ্রি.)। প্রথমে মহারাষ্ট্রের বোম্বাই থেকে থানে পর্যন্ত ছিল এর ব্যাপ্তি। পরবর্তীকালে ‘গ্যারান্টি প্রথা এর মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন স্থানে রেলপথের বিকাশ ঘটে।
৭. ভারতে টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার প্রবর্তন কীভাবে হয়?
উত্তর:- ভারতে রেলপথের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামরিক প্রয়োজনে টেলি- গ্রাফের বিস্তার ঘটেছিল। ১৮৫১ খ্রিস্টাব্দে ভারতে প্রথমে কয়েক মাইল জুড়ে টেলি- গ্রাফের বিস্তার ঘটলেও ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে ৪৬টি টেলিগ্রাফ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪,২৫০ মাইল এলাকা টেলিগ্রাফ যোগাযোগের আওতায় আসে।
৮. নব্যবঙ্গীয় চিত্রকলায় অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান কী ছিল ?
অথবা, আধুনিক বাংলার দৃশ্যশিল্পের বিকাশে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান লেখো।
উত্তর:- নব্যবঙ্গীয় অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ, যেমন—
প্রথমত, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথমে ইউরোপীয় রীতিতে ছবি আঁকতেন, কিন্তু এই রীতির পরিবর্তে চিত্রশিল্পে দেশীয় ঐতিহ্য প্রবর্তন করে বেঙ্গল বা ওরিয়েন্টাল আর্টের ভিত্তি স্থাপন করেন।
দ্বিতীয়ত, প্রাচীন ভারতের অজন্তা চিত্রকলা এবং মুঘল, রাজপুত চিত্রশৈলীর মিশ্রণ ঘটিয়ে তিনি এক নতুন ঘরানার চিত্ররীতির উদ্ভব ঘটান।
তৃতীয়ত, তিনি ‘ইন্ডিয়ান সোসাইটি অব ওরিয়েন্টাল আর্ট’ (১৯০৭ খ্রিঃ) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং দৃশ্যশিল্পের ইতিহাস নিয়ে ‘বাগেশ্বরী শিল্প প্রবন্ধাবলী’ নামক একটি গ্রন্থও রচনা করেন।
৯. ইতিহাসচর্চায় স্থানীয় ইতিহাসচর্চার গুরুত্ব কী?
উত্তর:- স্থানীয় ইতিহাসচর্চার গুরুত্ব হল –
প্রথমত, এই ইতিহাসের মাধ্যমে অনালোকিত বিশেষ বিশেষ স্থানের পারিবারিক ও লোক পরম্পরার ইতিহাস, শিল্প স্থাপত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস জানা সম্ভব হয়।
দ্বিতীয়ত, স্থানীয় ইতিহাস যেহেতু একটি অঞ্চলের যেমন গ্রামের বা শহরের ইতিহাস তাই এই ইতিহাসের পরিসর সীমিত। কিন্তু বৃহত্তর জাতীয় ইতিহাস স্থানিক ইতিহাসের ওপরেও প্রভাব ফেলে।

১০. পরিবেশের ইতিহাসের গুরুত্ব কী ?
উত্তর:- পরিবেশের ইতিহাসের গুরুত্বগুলি হল-
প্রথমত, মানবসভ্যতার অগ্রগতিতে পরিবেশের ভূমিকা চিহ্নিত করে পরিবেশ সচেতনতা ও পরিবেশ রক্ষার ব্যবস্থা করা।
দ্বিতীয়ত, পরিবেশ সংকট ও তার প্রকৃতি, পরিবেশ বিপর্যয় ও তার ভয়াবহতা,বাসস্থানের সুস্বাস্থ্য,অরণ্য ও অরণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা ও তার প্রয়োগের ব্যবস্থা করা।
তৃতীয়ত, পরিবেশের ইতিহাসের সঙ্গে ইতিহাসের অন্য দিকগুলির সম্পর্ক নির্ধারণ।
১১. নারী-ইতিহাস কী?
উত্তর:- প্রচলিত পুরুষকেন্দ্রিক ইতিহাসের সংশোধন ঘটিয়ে সমাজ ও সভ্যতার ইতিহাসে নারীর অবদান ও ভূমিকার পুনর্মূল্যায়ন সংক্রান্ত ইতিহাসচর্চাই হল ‘নারী-ইতিহাস। এই ইতিহাসের বৈশিষ্ট্য হল –
প্রথমত, প্রথমদিকে প্রভাবশালী নারীদের সম্পর্কে ইতিহাসচর্চা করা হলেও বর্তমানে সাধারণ নারীরাও এর অন্তর্গত।
দ্বিতীয়ত, সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে নারীর ভূমিকা ও অংশগ্রহণকে চিহ্নিত করাই এই ইতিহাসের প্রধানতম দিক।
তৃতীয়ত, নারী-ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা হলেন- মেরি ওলস্টনস্ক্রাফট, সিমোন দ্য বোভোয়ার, জি লার্নের, বারবারা কান,স্টিভেন মিনজ, লুই এ টিল্লি, জেরাল্ডিন ফরবেশ, শমিতা সেন, নীরা দেশাই।
১২. মহাফেজখানা কী?
উত্তর:- সরকারি নথিপত্র সংরক্ষণকেন্দ্র মহাফেজখানা বা লেখ্যাগার বা আর্কাইভস নামে পরিচিত। এখানে সাধারণ ও গোপন নথিপত্র (পুলিশ, গোয়েন্দা ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের) থাকে। স্বাধীনতার পর কেন্দ্রীয় সরকারের নথি
সংরক্ষণাগার রূপে দিল্লিতে গড়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় মহাফেজখানা এবং রাজ্যস্তরে রাজ্য-মহাফেজখানা। ভারতের স্বদেশি আন্দোলন, অসহযোগ, আইন অমান্য ও ভারত ছাড়ো আন্দোলন সহ বিভিন্ন আন্দোলনের প্রাথমিক উপাদান মহাফেজখানায় রয়েছে।
১৩. সরকারি নথিপত্র ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বনের কারণ কী?
উত্তর:- সরকারি নথিপত্র ব্যবহারকালে সতর্কতা অবলম্বনের কারণগুলি হল –
প্রথমত, এগুলি মূলত সাম্রাজ্যবাদী ও প্রশাসকের দৃষ্টিভঙ্গিতে রচিত হওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই ঘটনার সঠিক ভাষ্য পাওয়া যায় না।
দ্বিতীয়ত, সরকারি রিপোর্ট একপেশে হওয়ায় সমসাময়িক সাহিত্য, সংবাদপত্র প্রভৃতি থেকে সত্য যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।
১৪. আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা কী?
উত্তর:- আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা হল ব্যক্তির জীবন ও স্মৃতিমূলক সাহিত্য। ব্যাখ্যা করে বলা যায় -প্রথমত, এখানে লেখক তাঁর জীবনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এবং সমসাময়িক দেশ – কালের স্মৃতি রোমন্থন করে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
দ্বিতীয়ত, এ প্রসঙ্গে বিপিনচন্দ্র পালের ‘সত্তর বছর’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জীবনস্মৃতি’ ও সরলাদেবী চৌধুরানির ‘জীবনের ঝরাপাতা’ নামক আত্মজীবনীর কথা বলা যায়।

১৫. আত্মজীবনী কীভাবে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
অথবা, স্মৃতিকথা অথবা আত্মজীবনীকে কীভাবে আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চার উপাদানরূপে ব্যবহার করা হয়?
উত্তর:- আধুনিক ইতিহাসচর্চার উপাদানগুলির মধ্যে অন্যতম হল বিভিন্ন ব্যক্তির আত্মজীবনী, কারণ –
প্রথমত, এ ধরনের রচনায় সমাজের নানান স্তরের মানুষের জীবনের বিভিন্ন ঘটনার উল্লেখ থাকে, যেগুলি তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ করেছেন এবং এই ঘটনাগুলির মাধ্যমে সমকালের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ধরা থাকে।
দ্বিতীয়ত, এগুলি থেকে সেই সময়কার সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি প্রভৃতি সম্পর্কে নানান তথ্য ও ধারণা পাওয়া যায় এবং এ কারণেই এগুলি পরোক্ষ বিষয় নয় তা প্রত্যক্ষ বিষয়।
তৃতীয়ত, তবে আত্মজীবনী মানেই ইতিহাসের উপাদান নয়, কারণ এগুলিতেই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন পড়ে যা ইতিহাসের উপাদান হয়ে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
১৬. ‘জীবনস্মৃতি’ থেকে উনিশ শতকের বাংলার শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাসের কী কী উপাদান পাওয়া যায়?
উত্তর:- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনী ‘জীবনস্মৃতি’ থেকে –
প্রথমত, উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের ঔপনিবেশিক শিক্ষার কথা জানা যায়।
দ্বিতীয়ত, এই গ্রন্থের ‘শিক্ষারম্ভ’ প্রভৃতি অধ্যায়ের বর্ণনা থেকে ওরিয়েন্টাল সেমিনারি ও নর্মাল স্কুলের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জানা যায়।
তৃতীয়ত, ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে বদ্ধ এবং প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক বিহীন ঔপনি – বেশিক শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কথা জানা যায়।
১৭. ‘জীবনের ঝরাপাতা’ নামক আত্মজীবনী থেকে উনিশ শতকের বাংলার সামাজিক ইতিহাস কীভাবে জানা যায়?
উত্তর:- সরলাদেবী চৌধুরানির ‘জীবনের ঝরাপাতা’ নামক আত্মজীবনী থেকে –
প্রথমত, উনিশ ও বিশ শতকের বাংলার অভিজাত পরিবারের কায়দাকানুন, এবং দুধ-মা, ধাইমার মাধ্যমে সন্তান প্রতিপালন ব্যবস্থা প্রভৃতির কথা জানা যায়।
দ্বিতীয়ত, সমাজে নারীর আচার-ব্যবহার কেমন ছিল সে সম্পর্কেও জানা যায়।
তৃতীয়ত, নারীশিক্ষার কথা, বাঙালি সংস্কৃতির ও সাহেবি সংস্কৃতির কথা এবং ব্রাহ্মধর্ম ও ব্রাহ্মসমাজের কথাও রয়েছে এই গ্রন্থে।
১৮. ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইনটারনেট ব্যবহারের সুবিধাগুলি কী?
অথবা, আধুনিক ইতিহাসচর্চায় ইনটারনেট ব্যবহারের দুটি সুবিধা লেখো।
উত্তর:- ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে বা আধুনিক ইতিহাসচর্চায় ইনটারনেট ব্যবহারের সুবিধাগুলি হল –
প্রথমত, ইনটারনেটের মাধ্যমে দেশবিদেশের বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, গবেষণাকেন্দ্রের জার্নাল, মহাফেজখানা মিউজিয়ামের সংগৃহীত নথিপত্র ও গবেষণা গ্রন্থ থেকে তথ্য পাওয়া যায়।
দ্বিতীয়ত, একই বিষয়ে অল্প সময়ে, অল্প খরচে, অল্প পরিশ্রমে প্রচুর তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
তৃতীয়ত, অধ্যাপক বা গবেষণা নির্দেশকের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে গবেষক তাঁর উত্তর খুঁজে পান এবং তাঁর পক্ষে দ্রুত গবেষণা বা পাঠপ্রস্তুতি করা সম্ভব হয়।
১৯. ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইনটারনেট ব্যবহারের অসুবিধা কী?
উত্তর:- ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইনটারনেট ব্যবহারের অসুবিধা হল –
ইনটারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না, কারণ সবসময় এই সমস্ত তথ্যের তথ্যসূত্র থাকে না।

২০. ব্রিটিশ সরকার কেন ‘সোমপ্রকাশ’ সংবাদপত্রের প্রকাশ বন্ধ করে দেয়?
উত্তর:- ব্রিটিশ সরকার ‘সোমপ্রকাশ সংবাদ পত্রের প্রকাশ বন্ধ করে দেয়, কারণ –
প্রথমত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পরিকল্পনায় প্রকাশিত ‘সোমপ্রকাশ’ নামক সংবাদপত্র (যদিও প্রথমদিকে এটি ছিল সাময়িকপত্র) ছিল নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশক।
দ্বিতীয়ত, এই পত্রিকায় সেই সময়ের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বিচারবিভাগ ও সামাজিক বিষয়ে নির্ভীক আলোচনা থাকত।
তৃতীয়ত, কাবুলে ব্রিটিশ সরকারের নীতিও সমালোচিত হয়েছিল এবং এ কারণেই দেশীয় সংবাদপত্র আইনের (১৮৭৮ খ্রি.) মাধ্যমে পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় (১৮৭৯ খ্রি.)।
২১. ইতিহাসের উপাদানরূপে সংবাদপত্রের গুরুত্ব কী?
উত্তর:- ইতিহাসের উপাদানরূপে সংবাদপত্রের গুরুত্বগুলি হল –
প্রথমত, সংবাদপত্র কীভাবে জনমত গঠনে সাহায্য করে তা জানা যায় |
দ্বিতীয়ত, ব্রিটিশ সরকারের জনবিরোধী নীতির সমালোচনার বিভিন্ন দিক ফুটে ওঠে;
তৃতীয়ত, উনিশ শতক ও বিশ শতকে ভারতের জাতীয়তাবাদের উদ্ভব, প্রচার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের কথা জানা যায় |
চতুর্থত, উনিশ শতকে এদেশের সমাজ ও ধর্মের ক্ষেত্রে যে-সমস্ত কুসংস্কার ছিল তার বিরুদ্ধে সমাজ সংস্কারক ও ধর্ম সংস্কারকরা কীভাবে সোচ্চার হয়েছিলেন তা জানা যায়।
দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা যায়, সতীদাহ প্রথার বিরোধিতায় ‘দিগদর্শন’, নীলবিদ্রোহের সপক্ষে জনমত গঠনে হিন্দু প্যাট্রিয়ট’, ব্রিটিশ সরকারের জনবিরোধী নীতির সমালোচনার ক্ষেত্রে ‘সোমপ্রকাশ’, বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় ‘বয়কট’ আন্দোলন প্রসারে ‘সন্ধ্যা’ পত্রিকার বিশেষ ভূমিকা ছিল।

সাত আটটি বাক্যে উত্তর দাও :
1. নারী ইতিহাস চর্চার উপর টীকা |

2. ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইনটারনেটের সুবিধা ও অসুবিধা |

3. আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

The post ইতিহাসের ধারণা : মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশান appeared first on RLEARN EDUCATION .

Welcome Visitor

Rlearn Education
error: Content is protected !!